শ্রীমঙ্গলে চা শিল্পে নিম্নতম মজুরী সংক্রান্ত প্রকাশিত খসড়া গেজেটের আপত্তি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

Spread the love

নূর মোহাম্মদ সাগর,শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি :
নিম্নতম মজুরি বোর্ডের ঘোষিত গেজেটে চা শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ পরিপন্থী কতিপয় ধারার আপত্তি জানিয়ে তা সংশোধিত আকারে প্রকাশের দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশন। শুক্রবার শ্রীমঙ্গল শহরের গুহ রোডস্থ এস্যোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মো. মাহবুব রেজা। এসময় বিটিইএসএ এর সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কান্তি ভট্ট্রাচার্য্য, বালিশিরা ভ্যালির আঞ্চলিক সভাপতি সুরঞ্জিত দাস, ভ্যালির উত্তোরাঞ্চলীয় সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, দলই অঞ্চলের আঞ্চলিক সম্পাদক ইমন দেবনাথ, লংলা অঞ্চালের সম্পাদক প্রদীপ যাদব প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


মাহবুব রেজা বলেন, ১৯৫৩ সাল থেকে ৬৭ বছর ধরে চা শ্রমিক কর্মচারীরা বাংলাদেশীয় চা সংসদের সাথে দর কষাকষি করে ২ বৎসর পরপর কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়। গত ১৩ জুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড চা শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক কর্মচারীদের মজুরি সংক্রান্ত একটি খসড়া গেজেট প্রকাশ করে। প্রকাশিত গেজেটে অবহেলিত চা শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ পরিপন্থি কয়েকটি ধারা সন্বিবেশন করা হয়। আমরা তার আপত্তি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব রেজা বলেন, গত ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশীয় চা সংসদ শ্রমিকদের বেতন ২০১৮ সালের বেতন থেকে ২০১৯-২০ সালের মেয়াদে ৩৮.৪৩% বৃদ্ধি কর হয়। সেই আলোকে আমরা বেতন কাঠামো বৃদ্ধির আবেদন করি। কিন্তু মজুরী বোর্ড তা আমলে না নিয়ে চা সংসদের সম্পাদিত চুক্তিনামায় বেতন কাঠামো হুবহু ঠিক রেখে ১৩ জুন একটি গেজেট প্রকাশ করে। এতে করে মালিক পক্ষের সাথে চা শ্রমিকদের চুক্তিনামার মেয়াদ ২ বৎসর থেকে ৩ বৎসর করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শ্রমিকদের আবেদন আমলে না নিয়ে গেজেট প্রকাশ করায় বা বাগান শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই গেজেট পাস হলে চা শ্রমিকদের সাথে মালিক পক্ষের দরকষাকষির সব দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। শ্রমিকরা তাদের স্বার্থ হারাবে আর মালিকপক্ষ ফায়দা লুটবে।
এসময় চুক্তিনামার মেয়াদ ২ বৎসর ও চা শিল্প সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বেতন ২০১৯ সালের প্রাপ্ত থেকে ২৮.৪৩ ভাগ বৃদ্ধি করে নিম্নতম মজুরী ঘোষনার দাবী জানানো হয়।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *