শোষণ বঞ্চনা বৈষম্যের বিরুদ্ধে ওয়ার্কার্স পার্টিকেই দাঁড়াতে হবে : বাদশা

Spread the love

শেখ জুয়েল রানা (প্রতিনিধি)
রাজশাহী, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০: “জনগণ ওয়ার্কার্স পার্টির উপর ভরসা করে। মানুষ ওয়ার্কার্স পার্টির কথা শুনতে চায়। তাই ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীকে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সমস্ত শোষণ বঞ্চনা বৈষম্যের বিরুদ্ধে ওয়ার্কার্স পার্টিকেই দাঁড়াতে হবে।” শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এ কথা বলেন।
আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী বিভাগীয় মহাসমাবেশ উপলক্ষে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের আট জেলার নেতারা অংশ নেন।
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ওয়ার্কার্স পার্টিকে বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে হলে সচেতন ধারার রাজনীতি করতে হবে। অন্যায় বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা না বললে বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়ানো যাবে না। আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেলে একমাত্র ওয়ার্কার্স পার্টিই বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে পারে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের যেমন উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু এর পাশাপাশি লুটের রাজনীতিও হয়েছে। বিশেষ একটি শ্রেণী লাভবান হয়েছে। আর গরীবরা আরো বেশি গরীব হয়েছে। এই লুটের রাজনীতির বিরুদ্ধে ওয়ার্কার্স পার্টিকে দাঁড়াতে হবে। তাহলে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। লুটের রাজনীতি বন্ধ হবে।
রাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, জনগণ ওয়ার্কার্স পার্টির উপর যে ভরসা করে তা যেন সবসময় থাকে তার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। দলের সবার কথা ও কাজ একই রকম হতে হবে। তাহলে জনগণ যেভাবে আমাদের পাশে ছিল সেভাবেই থাকবে।
রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ সফল হবে আশা প্রকাশ করে পার্টির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বরিশাল, রংপুর, যশোর ও চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশ সফল হয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টি কি বলে সেটা জানার জন্য জনগণ আগ্রহী ছিল। রাজশাহীতেও সমাবেশ সফল হবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ওয়ার্কার্স পার্টিই নেতৃত্ব দেবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য মাহমুদুল হাসান মানিক। সভায় রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এন্তাজুল হক বাবু, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক তোতা, বগুড়ার সভাপতি আবদুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম, জয়পুরহাটের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম উজ্জ্বল, নাটোরের সভাপতি ইবরাহীম খলিল, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেনসহ বিভাগের অন্য সব জেলার সভাপতি-সম্পাদক বক্তব্য দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *