রোজিনা ইসলামকে হেনস্থায় জড়িতদের শাস্তি চাই: ওয়ার্কার্স পার্টি

Spread the love

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ১৮ মে ২০২১ : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দপ্তরে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে হেনস্তা করা, পরে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে’ মামলা দায়েরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন। আজ এক ক্ষুব্ধ বার্তায় তাঁরা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এই অনুসন্ধানী সাংবাদিক সচিবালয়ে হামলার শিকার হলেন, যা অত্যন্ত গর্হিত এবং ন্যক্কারজনক। তারাঁ বলেন, রোজিনা ইসলাম তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে ছিলেন। তার প্রতিবেদনে করোনাকালীন সময়ে জনগনের স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষায় মন্ত্রনালয়ের দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনার চেহারা জনগনের সামনে আসে। তিনি প্রতিবেদনে সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নিয়োগ দুর্নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন; যাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টাতার বিষয় সামনে

আসে। তাকে হেনস্থা করার ঘটনা প্রমান করে তিনি চরম আক্রোশের শিকার।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, রোজিনা ইসলামকে হয়রানী করায় জড়িত দায়ী ব্যাক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানান।
তাঁরা রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কল্পিত ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে’ মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের সঙ্গে স্বাস্থ্য সচিবের অফিস স্টাফদের অসদাচরণ, আটকে রেখে হয়রানি ও তথ্য চুরির মতো হাস্যকর অভিযোগ এনে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, “এটা গণস্বার্থ রক্ষার জন্য বস্তুনিষ্ঠ ও প্রগতিশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। যা গণমুখী সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশের জন্যও হুমকিস্বরূপ।”
সাংবাদিক দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন ফেসবুক স্টেটাসে লিখেছেন, “সত্য প্রকাশে কন্ঠবোধ (গলা চেপে ধরা) এটা না গনমাধ্যম, না রাষ্ট্র কারো জন্যই সুখকর নয়। আমরা একদিকে বলি স্বাধীন গনমাধ্যম, আবার অন্য দিকে সত্য প্রকাশ করায় সাংবাদিকের কন্ঠ চেপে ধরতে। এটা শুধু গনমাধ্যকর্মীদের নয়, একটি গনতান্ত্রিক দেশের জন্যও লজ্জা। কতিপয় দুর্নীতিবাজ আমলাদের এমন নির্লজ্জ কর্মকান্ডে বহির্বিশ্বে নষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি। তাই জেবুন্নেছাদের এখুনি থামান। মুক্তি দিন রোজিনা আাপাকে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *