করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হুমকিতে চা শ্রমিকরা: ছুটির দাবীতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার” শেখ জুয়েল রানা’

শ্রীমঙ্গল, ৩০ মার্চ ২০২০: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় সারা দেশে ছুটি ঘোষণা করা হলেও বাংলাদেশের ১৬৩টি চা বাগানের প্রায় লক্ষাধিক চা শ্রমিক পাচ্ছেন না ছুটি। তাদের দেয়া হচ্ছে না সচেতনতামূলক কোনো পরামর্শও। এসব শ্রমিকদের ব্যাপারে বাগান কর্তৃপক্ষ উদাসীন। যে কারণে শ্রমিকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। ছুটির জন্য চা শ্রমিক বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেও না পেয়ে মঙ্গলবার থেকে সব চা বাগান বন্ধ করে দেবেন জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্মসম্পাদক নৃপেন পাল। জানা যায়, ছুটির দাবিতে শুক্রবার অনশন করেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে চা শ্রমিকরা। শ্রীমঙ্গলের বালিশিরা ও হবিগঞ্জের লস্করপুর ভ্যালির বিভিন্ন বাগানের শ্রমিক এবং বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশন বিভাগীয় শ্রম দফতরে উপ-পরিচালক বরাবরে ছুটির জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। কয়েকটি বাগান ঘুরে দেখা যায়, শ্রমিকরা কাজে এসেছেন। আর কাজ না করলে খাবার জুটবে কই থেকে। মালিক ও বড় বাবুরা ঘরে বসিয়ে টাকা দেবে না। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্মসম্পাদক নৃপেন পাল জানান, মঙ্গলবার থেকে কোনো চা শ্রমিক আর কাজে যাবে না। চা শ্রমিক আদিবাসী ফোরামের সভাপতি স্বপন সাওতাল জানান, চা বাগানের মালিক পক্ষ থেকে নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। দেশের সব কিছু বন্ধ ঘোষণা করা হলেও এখনও ছুটি পায়নি চা শ্রমিকরা।
হবিগঞ্জের চণ্ডিছড়া চা বাগান সিনিয়র ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জানান, বাগান বন্ধের বিষয়ে সরকার থেকে তারা কোনো নির্দেশনা পাননি। তবে বহিরাগত মানুষের আনাগোনা বন্ধ রয়েছে। তিনি জানান, আমরা চা শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার তাই করছি, তাদের মাস্ক দিচ্ছি, সাবান দিচ্ছি। সন্ধ্যা ৬টার পর বাগানে মদের দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, চা শিল্প রয়েছে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এ বিষয়ে এখনও আমরা কোনো নির্দেশনা পাইনি।

এদিকে বড়লেখায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ছুটি ঘোষণাসহ সরকারের দেয়া নির্দেশনা মানা হচ্ছে না রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নিউ সমনবাগ ও পাথারিয়াসহ ১৭টি বেসরকারি চা বাগানে। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত না করেই তাদেরকে দিয়ে টিলা, ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করানো হচ্ছে। খোলা রাখা হয়েছে বাগানের কার্যালয়, চলছে স্বাভাবিক কার্যক্রম। মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন প্রায় ৭ হাজার চা শ্রমিক, কমর্চারী ও কর্মকর্তা। বাংলাদেশ টি স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব রেজা চা বাগানকে দ্রুত সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতাভুক্ত করতে ২৬ মার্চ শ্রম দফতরের উপ-পরিচালক বরাবরে দরখাস্ত করেছেন। নিউ সমনবাগ ও পাথারিয়া চা বাগানে প্রায় ২ হাজার নিয়মিত শ্রমিক ও শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। শনিবার ও রোববার কথা হয় নারী চা শ্রমিক অমি সাওতাল, শিলা রিকমুন, যমুনা রিকমুন, নমিতা কৃষ্ণ গোয়ালা, মিনা রিকমুন প্রমুখ জানান, ‘শুনছি দেশে কি একটা কঠিন অসুখ এসেছে, সরকার সব কিছু বন্ধ করে দিয়েছে, আমাদের বাগানতো বন্ধ দেয়নি তাই কাজে যাচ্ছি।’ নিউ সমনবাগ চা বাগানের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী খান ও পাথারিয়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক শাহিদ নেওয়াজ জানান, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও এ ব্যাপারে টি বোর্ডের কোনো নির্দেশনা তারা পাননি। বাংলাদেশ টি স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জানান, করোনাভাইরাসের প্রতিরোধে চা শ্রমিক ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অপরদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে লকডাউন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি সব দফতর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবকিছু যেখানে বন্ধ করা হয়েছে সেখানে চা বাগানগুলো ব্যতিক্রম। বাগানের সব কার্যক্রম ও হাটবাজার স্বাভাবিক ভাবেই চলছে। সরেজমিন জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন চা বাগান ঘুরে দেখা যায়, বাগান শ্রমিকরা আগের মতো দলবেঁধে, পাতা উত্তোলন, জমাটবদ্ধ হয়ে দুপুরের খাবার খাওয়া ও মাথায় পাতার বোঝা নিয়ে গন্তব্যে ফিরছেন। চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাভাইরাস সম্পর্কে তাদের অনেকের কোনো ধারণা নেই। বস্তি এলাকায় লোকজন অনেকটা সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করলেও চা শ্রমিকদের অজ্ঞতায় বাগানগুলো করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিষয়ে ধামাই চা বাগানের ব্যবস্থাপক গোপাল শিকদার বলেন, শ্রমিকদের কোনো ছুটি দেয়া হয়নি। রোববার থেকে বাগানের বাজার বন্ধ করা হয়েছে। কাপনাপাহাড় চা বাগান ব্যবস্থাপক কামরুল হাসান বলেন, সব শ্রমিককে মাস্ক ও সাবান দেয়া হয়েছে। তাছাড়া শ্রমিকরা দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় জনসাধারণকে নিজ নিজ ঘরে নিরাপদে থাকার সরকারি ঘোষণা থাকলেও কাজ করতে হচ্ছে চা শ্রমিকদের। মৌলভীবাজার জেলার ৯৩টিসহ দেশের ১৬৩ চা বাগানের লক্ষাধিক শ্রমিক মজুরী ও রেশনসহ ছুটি ঘোষণা না করায় ঘরে বসে থাকতে পারছেন না। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে চা বাগান রয়েছে এমন ৪ জেলার কয়েক লাখ মানুষ। তাদের সর্দি, কাশি, জ্বরসহ নানা রোগ লেগেই আছে, তবে এ পর্যন্ত কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। সেক্ষেত্রে বাগানে কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় নিজেরা নিরাপদ থাকতে মজুরী ও রেশনসহ ছুটি ঘোষণার দাবীতে শ্রীমঙ্গলের অামরাইলছড়া, গান্ধী, রাজঘাট, হুগলী, সিন্ধুর খান, উত্তর রাজঘাট ও খেজুরীছড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর, কানিহাটি, দেওছড়া, বাঘিছড়া ও ডবলছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরী জানান, ‘শমশেরনগরসহ ৫টি চা বাগানের শ্রমিকেরা ইতিমধ্যে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান শুরু করেছেন। তবে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়নি। চা শ্রমিকদের সরকারি ছুটির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে চা সংসদে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। আমরা দাবি করছি দ্রুত চা বাাগানে ছুটি ঘোষনা করার জন্য।’

সরেজমিন চা বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শ্রমিকরা কোন ধরণের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই টিলা ও সেকশন সমুহে কাজ করছেন। মাস্ক, গ্লাভস ছাড়াই উন্মুক্ত পরিসরে তারা কাজ করছেন। সেখানে ঘনঘন হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাত ধোয়ার জন্য কোম্পানী সাবান ও পানির ব্যবস্থা করেছে। বাগানে কাজের ক্ষেত্রে এবং নিজ নিজ বাসগৃহে গাঁ ঘেষোঘেষি করে চা শ্রমিকদের অবস্থানে রয়েছে ঝুঁকি। সেদিকে নজর দিচ্ছেন না কেউ। শ্রমিকরা বলেন, দেশের অন্য পেশার মানুষ নিরাপদে ঘরে আছেন। আর আমরা বাগানে পাতি তুলছি। তারা সরকারের কাছে ছুটি দাবি করেন। এদিকে ছুটি না পেয়ে বিভিন্ন চা বাগানে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে শ্রমিক নেতারা জানান।

এদিকে শুক্রবার সকালে শমশেরনগর চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিকরা চা বাগান ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে গিয়ে ছুটির বিষয়ে আলাপ করেন। কিন্তু কতৃপক্ষ তাদের ছুটি দিতে রাজি হয়নি। এপর্যায়ে শমশেরনগর, কানিহাটি, দেওছড়া বাঘিছড়া ও ডবলছড়া চা বাগানে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন শ্রমিকরা। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির (অঞ্চলের) কার্যকরি কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ পাইনকা ও শমশেরনগর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত কানু গোপাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ন্যাশনাল টি কোম্পানী (এনটিসি) এর পাত্রখোলা চা বাগান ব্যবস্থাপক সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চা বাগানে বন্ধের বিষয়ে আমরা কোন নির্দেশনা পাইনি। শ্রমিকদের পানি, স্যানিটেশন ব্যবহার, লিফলেট বিতরণ, মাইকযোগে প্রচারনার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোম্পানীর পক্ষ থেকে মাস্ক ও সাবান বিতরণ করা হচ্ছে।’

কমলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক বলেন, ’ চা শ্রমিকদের ছুটির বিষয়টি সরকারের আদেশের বাইরে। মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক শ্রমিকদের করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিমুক্ত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাগান কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি বাগানে বহিরাগত প্রবেশ ও মদের পাট্রা বন্ধ ঘোষনা করেছেন।’
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় চা শ্রমিকদের সরকারি ছুটির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি সমর্থন করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চা শ্রমিকদের প্রতি সরকার ও চা কোম্পানি কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে শমশেরনগর বাজার চৌমুহনায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শমশেরনগর চা বাগানের শ্রমিকের কৃতি সন্তান মোহন রবিদাস।

তার দাবীর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন বাবুল মাদ্রাজি, সুজন লোহার, মনিসংকর রায়, উত্তম রবিদাস, রাজকুমার রবিদাসহ ওই বাগানের সব ছাত্র যুবক ও চা শ্রমিকরা। তবে জনসমাগম এড়াতে মোহন রবিদাস ব্যতিক্রমী পন্থায় এ প্রতিবাদ জানান।

মোহন রবিদাস দাবি করেছেন, করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে দেশের চা শ্রমিকরা। তিনি বলেন, ‘একজন সাদা তামাকপাতা হাতের তালুতে রেখে মললে তার কাছ থেকে নিয়ে আরও পাঁচ জনে খায়, মদের গ্লাসগুলো ধোঁয়া হয় না, সাধারণত কাপড় দিয়ে মুছে দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে চা-পাতা তোলা হয় সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান তো দূরের কথা খাবার পানিই থাকে না। এক ঝর্ণার পানি ১০ জনে খায়। লাইনগুলাতে ঘন বসতি বেশি। ঘরগুলো এক্কেবারে কাছাকাছি। একই নদীতে অনেক মানুষ গোছল করে। চা বাগানের গ্রুপ হাসপাতালগুলোর (ক্যামেলিয়া, কালিঘাট) দিকে তাকালে গায়ে জ্বর আসে। ডাক্তার ও নার্সদের গায়ে পিপিই নেই। প্রবাসীরা স্বাচ্ছন্দ্যে আনাগোনা করছে। চিকিৎসা নিচ্ছে।’

এসব বিষয়ে সরকার বা চা কোম্পানি কেউই কোন বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন মোহন রবিদাস।

তিনি বলেন, ‘সরকার সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ করেছে। কিন্তু চা বাগানগুলো বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। উপরন্তু শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে জানিয়ে দিয়েছে, চা-বাগানগুলো সেই সাধারণ ১০ দিন ছুটির আওতায় পড়বে না।’

‘এটা একটা অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত ও চা-শ্রমিকদের প্রতি সরকারের অবহেলা’ বলে মন্তব্য করেন মোহন।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব চা বাগানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অর্থাৎ পর্যাপ্ত মাস্ক, সাবান-স্যানিটাইজার, সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা, মজুরি ও রেশন ইত্যাদিসহ বন্ধ ঘোষণা না করলে আরও কঠোর কর্মসূচী হাতে নিবেন বলেও জানান তিনি।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের সব চা বাগান বন্ধ ঘোষণার দাবী প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে অামাদের প্রতিনিধিকে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান এই দাবীর প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, ‘চা শিল্পের জন্য প্রণোদনা তহবিলের সৃষ্টি করে সরকারীভাবে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ করে পর্যাপ্ত মাস্ক, সাবান- হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক স্প্রে, সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা, মজুরি ও রেশন ইত্যাদিসহ অাপদকালীন সহায়তা প্রদান করতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *