অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মানুষদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেয়া জরুরী : মেনন

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার” শেখ জুয়েল রানা’

ঢাকা, ০৬ এপ্রিল ২০২০: “এই মুহূর্তে সব থেকে জরুরী প্রয়োজন অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যে মানুষগুলো রয়েছে তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেয়া। যদি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে হয় তাহলে তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেয়া ছাড়া এই দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে না। ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ করেছি যে, মানুষ কাজ না পেয়ে তারা বাইরে চলে আসছে খাদ্যের সন্ধানে, এমনকি গার্মেন্টস শ্রমিকরা তাদের চাকরি বাঁচাতে দলে দলে ঢাকায় চলে আসছে। এই ধরনের সিদ্ধান্ত কত অবিবেচক ও কত অমানবিক সেটা আমাদের চোখের সামনে আমরা ঘটতে দেখলাম।” আজ ‘করোনা নাশে মানুষের পাশে’ ওয়ার্কার্স পার্টি ঘোষিত দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণের এই কর্মসূচিতে ভিডিওর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি এসব কথা বলেন।
মেনন আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতকাল যে পাঁচটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন তাকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি, কিন্তু সে ক্ষেত্রে যে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক যারা ২৭% মানুষ এবং গ্রামীণ যে দরিদ্ররা প্রায় তিন কোটির ওপরে মানুষ তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেয়া এবং তাদেরকে সহায়তা করার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি ব্যাপক সংকট সৃষ্টি ঠেকাতে হয় সেক্ষেত্রে একদিকে যেমন জীবন বাঁচাতে হবে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থায় নজর দিতে হবে, ঘরে ঘরে নিজেদের থাকতে হবে তেমনি অন্যদিকে তার জীবিকাও বাঁচাতে হবে, না হলে পরে তার পক্ষে কর্মক্ষম থাকা সম্ভব হবে না। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা অত্যন্ত সাহসি পদক্ষেপ কোন সন্দেহ নাই, কিন্তু সাধারণ যে লোকগুলো এই কাজের সাথে যুক্ত থাকবে, যারা অর্থনীতির মূল ভূমিকায় রয়েছে তাদেরকে কর্মক্ষম রাখা, তাদেরকে স্বাস্থ্যবান রাখা এটাও কিন্তু অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ক্ষেত্রে প্রণোদনা দিয়েছেন কিন্তু কৃষির ক্ষেত্রটি একটু বাদ রয়ে গেছে বলে আমাদের মনে হয়েছে। এই কৃষককে যদি আমরা এই মুহূর্তে প্রণোদনা দিতে না পারি এবং সামনে যে বোরো ফসল আসছে তার দাম সম্পর্কে যদি তারা নিশ্চিন্ত না হয় এবং বোরো ফসল কাটা ও সংরক্ষণের জন্যে তাদের যে পূঁজির প্রয়োজন তা যদি তারা না পায় সেক্ষেত্রে এই সংকট মোকাবেলা করতে তারা পারবে না। জনাব মেনন একই সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে যে ঘাটতি রয়েছে তা পুরণ করার জন্য বিশেষ প্যাকেজ দেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন এবং চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমার জন্য জোর দিয়েছেন। তিনি একই সাথে ওয়ার্কার্স পার্টির এই কর্মসূচিতে যারা অনুদান দিয়েছেন ও সাহায্য করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান এবং যে সকল কর্মীরা এতে অংশ নিচ্ছেন তাদেরকে প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমাদের নিঃশঙ্ক সাহস নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে, নিজেকেও রক্ষা করতে হবে, অন্যকেও রক্ষা করতে হবে।
আজ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ের সামনে এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়, সেখানে ১০০ মানুষের মাঝে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি মুসুর ডাল, ১ কেজি পিয়াজ, আধা কেজি লবন, আধা লিটার সয়াবিন তেল ও দুটি সাবান সম্বলিত একটি করে ব্যাগ বিতরণ করা হয়, আরো ৫০০ ব্যাগ বিতরণের জন্য ঢাকার বিভিন্ন অংশে চলে গেছে।
এর পরে ধারাবাহিকভাবে ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চল যেমন, মুগদা, খিলগাঁও, বৃহত্তরা উত্তরা, পল্লবী, রূপনগর, আদাবর, মোহাম্মদপুর, দারুস সালাম, শের-ই-বাংলা নগর, তেজগাঁও, ভাটার, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, চকবাজার, লালবাগ, গে-ারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলিসহ উত্তর-দক্ষিণ ঢাকা সিটির বিভিন্ন অংশে ক্রমান্বয়ে খাদ্য পৌছে দেয়া হবে।
‘করোনা নাশে মানুষের পাশে’ ওয়ার্কার্স পার্টির এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই রাজশাহী, খুলনা, নড়াইল, রংপুর, নীলফামারীর সৈয়দপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় এই ত্রাণ কার্যক্রম চলছে এবং মানুষকে সহযোগিতার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, জাকির হোসেন রাজু, ঢাকা মহানগর সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, সদস্য কমরেড তৌহিদুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, আনোয়ারুল ইসলাম টিপু, শাহানা ফেরদৌসী লাকি, মুর্শিদা আক্তার নাহার, মোতাসিম বিল্লাহ সানি, শিউলী শিকদার, মামুন মোল্লা, রফিকুল ইসলাম সুজন প্রমুখ।

চলমান করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অারপি নিউজের প্রধান সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ অামিরুজ্জামান বলেন, “সারা বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বাংলাদেশ তার বাইরে নয়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশে গত ২৬ মার্চ থেকে কার্যতঃ লকডাউন চলছে। এর ফলে দেশের শ্রমজীবি-কর্মজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যারা ‘দিনআনে দিনখায়’ অবস্থায় তারা বিশেষ সংকটে। সরকার রপ্তানীমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেয়ায় জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা তহবিল ঘোষণা করেছে। স্বস্তির কথা যে এই বেতন-ভাতা সরাসরি শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংকএকাউন্টে অথবা মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। তেমনি শহর ও গ্রামের দরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল, ভিজিডি, ভিজিএফ কর্মসূচী সম্প্রসারণকরণ, ‘ঘরে ফেরা কর্মসূচীতে’ শহর থেকে যারা গ্রামে ফিরে যাবে তাদের সহয়তা, এমনকি ভাসানচরে আবাসান দেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এর প্রতিটি সৎ উদ্দেশ্য প্রণোাদিত। তবে এসবই বাস্তবায়ন হচ্ছে সরকারি প্রশাসন আমলা পুলিশ দ্বারা। রাজনৈতিক দল সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধিদের এক্ষেত্রে কোন ভূমিকাই নাই। এমনকি ক্ষমতাসীন দলেও সেভাবে নাই। একথা সবার জানা যে কিভাবে এ ধরনের বিতরণ ব্যবস্থা দুর্নীতিগ্রস্থ। তাছাড়া সরকারের পক্ষে একা মোকাবেলা করা সম্ভব না। সেক্ষেত্রে সমগ্র জাতিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সমবেত (mobilised) করা ও ঐক্যবদ্ধ করার জরুরি কাজটি এখনও অনুপস্থিত। প্রধানমন্ত্রী বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে বলেছেন। আর তারা প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে টাকা দিয়ে দায়িত্ব সারছেন। বিভিন্ন সমাজহিতৈষী প্রতিষ্ঠান সংকটাপন্ন মানুষের খাদ্য, ঔষধ সাহায্যে এগিয়ে এলেও তাদের ক্ষমতাও সীমাবদ্ধ। এদিকে দেশের ৮৭% শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। তারা বিশেষ করে শহর থেকে টাকা পাঠিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচলই রাখে না, বরং জাতীয় প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা পালন করে। করনো ভাইরাস পরবর্তী অর্থনীতির অবস্থা কিরূপ নেবে তা এখনই অনুমান করা যায়। ইতিমধ্যে পোষাক শিল্পের কোটি কোটি টাকার ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। ঔষধ বাদে অন্যান্য রপ্তানীও সহসা উন্নতি হবে না। প্রবাসী আয়, যার উপর রিজার্ভ দাড়িয়ে আছে, তা বিশেষভাবে কমে যাবে। অনেক প্রবাসী শ্রমিককে দেশে ফিরে আসতে হবে। ফলে দেশের জাতীয় আয় যেমন কমে যাবে, তেমনি বেকারের এই দেশে কর্মসংস্থানের উপর বিশেষ চাপ পড়বে। এপর্যন্ত বিশ্ব মন্দায় দায় বাংলাদেশ এড়াতে পারলেও এবার পারবে না। ভবিষ্যতে কোনো প্রকার খাদ্যাভাব মেটাতে সরকার কৃষির ফসলের উপর নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ইঞ্চি জমি আবাদ করতে বলছে। কিন্তু ধানের দাম নিয়ে সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতায় কৃষকরা ধান ফলাতে তত উৎসাহ বোধ করছে না, তাছাড়া এবার তাদের পুঁজির অভাবও প্রকট হয়ে দেখা দেবে। করোনার প্রভাবে পোল্ট্রি ওদুধ খামারীরা বিশেষ সংকটে। করোনা ভাইরাস স্বাস্থ্য বিষয়ক হলেও এর প্রতিরোধে পুরো সরকারকেই নিয়োজিত করার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা জোর দিয়েছিল। সেখানে করোনা সংক্রমণ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্তসারশূন্যতা প্রকট করে দেখিয়েছে। এক্ষেত্রে নেতৃত্ব শূন্যতা, অব্যবস্থাপনা, গোষ্ঠী স্বার্থপরতা সব মিলিয়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের কার্যক্রমকে স্থবির করে রেখেছে। বহু চিৎকারের পর ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আরও পরীক্ষাগারকে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই এখনই প্রস্তুত না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে সংখ্যাতত্বই দিন হাসপাতালগুলোও সেভাবে প্রস্তুত না। ফলে করোনা উপসর্গ নিয়ে যে মৃত্যু হচ্ছে তা হিসাব আসছে না। উপসর্গ নিয়ে সরকারি বেসরকারী হাসপাতাল রোগী ভর্তি করছে না। চিকিৎসকগণ সাধারণ রোগের চিকিৎসা করতে অপরারগতা প্রকাশ করছে। ডাক্তারও স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষা পরিধান (পিপিই) প্রয়োজন অনুসারে সরবরাহ না করায় তারা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে চিন্তিত এবং তার থেকে চিকিৎসা দিতে অনাগ্রহ কেবল নয়, এমনকি চিকিৎসা না দিতে কর্মবিরতিও পালন করেছে কোথাও কোথাও। এটা সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকটেরই পরিচায়ক। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণের আরো বিস্তৃতি ঘটলে কি অবস্থা হবে সেটা অনুমেয়। করনো ভাইরাস যখন জীবন মরণ সমস্যা তখন দেশের পরিচিত ধর্মবাদীরা ইউটিডব, ফেসবুকে যথেচ্ছ মিথ্যা প্রচার করে চলেছে। সরকার গুজবের বিরুদ্ধে কঠোর হলেও তাদের এই হীন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে দিচ্ছে।
এই অবস্থায় ওয়ার্কার্স পার্টি মনে করেঃ-
১. পরিপূর্ণ জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনগণকে উদ্ধুদ্ব করতে হবে ও নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে।
২. এ ক্ষেত্রে এ প্রতিরোধ লড়াইয়ের মূল সংগঠন স্বাস্থ্যসেবা আমলাদের হাত থেকে নিয়ে পেশাদার রোগতত্ববিদ, ভাইরোলজিস্ট, মাইক্রো বায়োলজিস্ট, প্রতিরোধে ফ্রন্টলাইনে থাকা যোদ্ধা চিকিৎসকদের সমন্বিত নেতৃত্বে পরিচালিত করতে হবে।
৩. চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মী, সহায়তাকর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে এবং পিপিইর যথাযথ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনা বিমার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. রফতানি শিল্পশ্রমিক-কর্মচারীদের মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমজীবি-কর্মজীবি, গ্রামীণ শ্রমজীবী নারী-পুরুষের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন ও তা বিতরণের জন্য কেন্দ্র থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত স্থানীয় প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শ্রমিক-কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা পরিচালনা করতে হবে।
৫. শিল্পকারখানা, অফিস আদালতে কর্মী ছাঁটাই এক বছরের জন্য পরিপূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে।
৬. শিল্প বাণিজ্যিক উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দিতে হবে।
৭. কৃষকের ধান ও অন্যান্য পণ্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার তা কিনে নেবে এবং গুদাম না থাকলে কৃষকের কাছেই মজুত রাখতে হবে। তাদের চাষের উপকরণের মূল্য হ্রাস করতে হবে এবং সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদকে উৎসাহিত করতে হবে।
৮. যুবকদের কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা, স্টার্টআপ ক্যাপিটালের শর্ত সহজ করা ও তার অঙ্কের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। এবং
৯. সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমসমূহকে স্বাধীন স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের নিশ্চয়তা বিধান এবং বিশেষ করে এ ক্ষেত্রে আইসিটি আইনে বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিল করতে হবে।
তিনি আশা করেন, এ ধরনের দুর্যোগ অবস্থায় অতীতের মতো জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও তার পরবর্তীতে অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় গৃহীত ৯ দফা পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে কালক্ষেপণ না করার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *